Home / Uncategorized / মাশরাফিকে নিয়ে যা বললেন চুদাসামা !

মাশরাফিকে নিয়ে যা বললেন চুদাসামা !

কেনিয়ার সাবেক ক্রিকেটার দীপক চুদাসামা। সবসময় ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করতেন। কেনিয়া জাতীয় দলের হয়ে তিনি দুইবার খেলেছিলেন ক্রিকেট বিশ্বকাপে। তবে ক্রিকেটের বাইরেও তার ছিলো আলাদা জগত। টেবিল টেনিসে অনেক দক্ষ্য খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। এমনকি কেনিয়ার পক্ষে ১৯৮২ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে টেনিস তারকা হয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ওয়ানডে খেলেছেন মোট ২০টি। সর্বোচ্চ ১২২ রানের ইনিংসটিও বাংলাদেশের বিপক্ষে। সেই ইনিংসটির কারণে এখনো বাংলাদেশকে মনে রেখেছেন ৫২ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার। ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার দীপক চুদাসামা ও কেনেডি ওটিয়েনো ২২৫ রানের জুটি গড়েছিলেন। ওটাই ছিল এতদিন বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো দলের সেরা উদ্বোধনী জুটি !

সেই দীপক চুদাসামা কিছুদিন আগে তার ফেসবুক পেজে পোস্ট করে জানিয়েছেন, তার প্রায়ই বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছে হয়। বাসায় বসে তিনি পরিবার পরিজনদের নিয়ে মাশরাফিদের খেলা দেখেন। আগামী আইসিসি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ট্রফির দাবীদারও হতে পারে বাংলাদেশ, এমনটাই আশা করেন বলে জানিয়েছেন দীপক চুদাসামা দীপক চুদাসামাকে নিয়ে একালের ছেলেমেয়েরা খুব একটা না জানলেও দীপক চুদাসামা চিরকাল তার নামের জন্য বাংলা ভাষ‍াভাষীদের ক‍াছে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

উল্লেখ্য যে, ১৯৯৮ সালে ভারতের বিপক্ষে একটি ম্যাচে দীপক চুদাসামা যখন ছক্কা মারে, তখন গ্যালারীভর্তি তার সমর্থকেরা চুদাহ চুদাহ বলে চিৎকার করে তাকে বাহবা জানাচ্ছিলেন। সেসময় গ্যালারীতে থাকা কলকাতার অনেক দর্শকদেরই হাসতে হাসতে পাতলা পায়খা‍না হয়ে যায়। আজকে কি রোজা রেখেছেন? রোজা না রাখলে নিজেকে কষ্ট দিয়ে পাপমোচন করতে নিউজটি আবার পড়ুন :

কেনিয়ার সাবেক ক্রিকেটার দীপক চুদাসামা। সবসময় ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করতেন। কেনিয়া জাতীয় দলের হয়ে তিনি দুইবার খেলেছিলেন ক্রিকেট বিশ্বকাপে। তবে ক্রিকেটের বাইরেও তার ছিলো আলাদা জগত। টেবিল টেনিসে অনেক দক্ষ্য খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। এমনকি কেনিয়ার পক্ষে ১৯৮২ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে টেনিস তারকা হয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ওয়ানডে খেলেছেন মোট ২০টি। সর্বোচ্চ ১২২ রানের ইনিংসটিও বাংলাদেশের বিপক্ষে। সেই ইনিংসটির কারণে এখনো বাংলাদেশকে মনে রেখেছেন ৫২ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার। ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার দীপক চুদাসামা ও কেনেডি ওটিয়েনো ২২৫ রানের জুটি গড়েছিলেন। ওটাই ছিল এতদিন বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো দলের সেরা উদ্বোধনী জুটি ! সেই দীপক চুদাসামা কিছুদিন আগে তার ফেসবুক পেজে পোস্ট করে জানিয়েছেন, তার প্রায়ই বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছে হয়। বাসায় বসে তিনি পরিবার পরিজনদের নিয়ে মাশরাফিদের খেলা দেখেন। আগামী আইসিসি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ট্রফির দাবীদারও হতে পারে বাংলাদেশ, এমনটাই আশা করেন বলে জানিয়েছেন দীপক চুদাসামা !

দীপক চুদাসামাকে নিয়ে একালের ছেলেমেয়েরা খুব একটা না জানলেও দীপক চুদাসামা চিরকাল তার নামের জন্য বাংলা ভাষ‍াভাষীদের ক‍াছে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উল্লেখ্য যে, ১৯৯৮ সালে ভারতের বিপক্ষে একটি ম্যাচে দীপক চুদাসামা যখন ছক্কা মারে, তখন গ্যালারীভর্তি তার সমর্থকেরা চুদাহ চুদাহ বলে চিৎকার করে তাকে বাহবা জানাচ্ছিলেন। সেসময় গ্যালারীতে থাকা কলকাতার অনেক দর্শকদেরই হাসতে হাসতে পাতলা পায়খা‍না হয়ে যায়। – ভিডিওতে দেখুন দীপক চুদাসামার ইন্টারভিউ

সালমানের প্রয়াণ দিবস; কিছু ভালোবাসা আর অশ্রু
আজ সালমানের মৃত্যু দিবস। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৬ বছর বয়সে দপ করে নিভে গেলো তার জীবনপ্রদীপ। সালমান মানেই ছিল এক উন্মাদনা। দেশীয় চলচ্চিত্রে ধূমকেতু হয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। শুরুটা সেই ১৯৯৩ সালে। মাত্র তিন বছরে তিনি অভিনয় করেন ২৭টি ছবিতে। প্রতিটি ছবি দেখতেই ঢল নেমেছে দর্শকের। ফলে বেশিরভাগই ব্যবসায়িক দিক থেকে হয়েছে সফল। আচার-আচরণ, চলন-বলন ও পোশাক-পরিচ্ছদে তিনি ছিলেন আধুনিক যুবকের উদাহরণ। তার রুচি, অভিব্যক্তি, বাচনভঙ্গি, বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় দেহসজ্জা, সামগ্রিক আবেদন- সবই ছিল যুগোপযোগী। ব্যক্তিজীবনে সালমান ছিলেন আবেগপ্রবণ মানুষ।

বেঁচে থাকলে হয়তো প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বরের প্রাক্কালে নিজেকে নিয়ে নানারকম স্মৃতিময় প্রতিবেদন দেখতেন না সালমান শাহ! দেখতে হতো না। ১৯ সেপ্টেম্বর জন্মদিনে হয়তো দেখতেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৬ বছর বয়সে দপ করে নিভে গেলো তার জীবনপ্রদীপ। এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে গোটা দেশই হয়ে পড়েছিলো স্তম্ভিত। সেই বিষাদ কাটেনি গত ১৯ বছরেও।

তার হাসিমাখা মুখটা সবার মনে গেঁথে থাকবে চিরদিন। শুধু প্রয়াণ দিবস নয়, সারাবছরই তাকে স্মরণ করেন ভক্তরা। তার মৃত্যু দর্শকদের মধ্যে যে শোকের ছায়া বিস্তার করেছে তা বিস্ময়কর। প্রিয় নায়কের মৃত্যুর ঘটনায় শোকে দুঃখে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছিলো। এ দেশে কেন, সব দেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসেই এমনটা হওয়ার কথা শোনা গেছে খুব কম। সালমানের হাঁপানির সমস্যা ছিল। তবুও খুব ধূমপান করতেন। নিজের ব্যাপারে তিনি ছিলেন আগাগোড়া উদাসীন। তবে বাউণ্ডুলে না। ভালোই চলছিলো সব। হঠাৎ একদিন এমন জায়গায় গেলেন, যেখান থেকে ফেরে না কেউ।

আমাদের কাছে সালমান এক দীর্ঘশ্বাসের নাম। তিনি যা দেখিয়েছেন, তাতে তাকে কি ভুলে থাকা যায়? তাই আজও তাকে হারানোর ব্যথায় জর্জরিত চলচ্চিত্র শিল্প। তার প্রস্থানে তৈরি হওয়া শুন্যতা পূরণ হয়নি, হয়তো হবেও না। এজন্যই চাইলেও তাকে ভোলা যাবে না। সালমানকে দর্শকরা খুঁজে যায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের পাতায়। হয়তো আকাশে, পাহাড়ে, নদীতে, সাগরে। তিনি থাকেন সবার আনন্দ অশ্রুতে, অন্তরে।

সালমান শাহ অভিনীত ছবি: কেয়ামত থেকে কেয়ামত (২৫ মার্চ, ১৯৯৩), তুমি আমার (২২ মে, ১৯৯৪), অন্তরে অন্তরে (১০ জুন, ১৯৯৪), সুজন সখী (১২ আগস্ট, ১৯৯৪), বিক্ষোভ (৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪), স্নেহ (১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪), প্রেমযুদ্ধ (২৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৪), কন্যাদান (৩ মার্চ, ১৯৯৫), দেনমোহর (৩ মার্চ, ১৯৯৫), স্বপ্নের ঠিকানা (১১ মে, ১৯৯৫), আঞ্জুমান (১৮ আগস্ট, ১৯৯৫), মহামিলন (২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫), আশা ভালোবাসা (১ ডিসেম্বর, ১৯৯৫), বিচার হবে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬), এই ঘর এই সংসার (৫ এপ্রিল, ১৯৯৬), প্রিয়জন (১৪ জুন, ১৯৯৬), তোমাকে চাই (২১ জুন, ১৯৯৬), স্বপ্নের পৃথিবী (১২ জুলাই, ১৯৯৬), সত্যের মৃত্যু নাই (১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬), জীবন সংসার (১৮ অক্টোবর, ১৯৯৬), মায়ের অধিকার (৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬), চাওয়া থেকে পাওয়া (২০ ডিসেম্বর, ১৯৯৬), প্রেম পিয়াসী (১৮ এপ্রিল, ১৯৯৭) , স্বপ্নের নায়ক (৪ জুলাই, ১৯৯৭), শুধু তুমি (১৮ জুলাই, ১৯৯৭), আনন্দ অশ্রু (১ আগস্ট, ১৯৯৭), বুকের ভেতর আগুন (৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭)

একনজরে সালমান: প্রকৃত নাম: শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন পর্দা নাম: সালমান শাহ জন্ম: ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০ বাবা: কমর উদ্দিন চৌধুরী মা: নীলা চৌধুরী সহধর্মিণী: সামিরা প্রথম চলচ্চিত্র: কেয়ামত থেকে কেয়ামত শেষ ছবি: বুকের ভেতর আগুন প্রথম নায়িকা: মৌসুমী সর্বাধিক ছবির নায়িকা: শাবনূর (১৪টি) মোট ছবি: ২৭টি বিজ্ঞাপনচিত্র: মিল্ক ভিটা, জাগুয়ার, কেডস, গোল্ডস্টার টি, কোকাকোলা, ফানটা ধারাবাহিক নাটক: পাথর সময়, ইতিকথা একক নাটক: আকাশ ছোঁয়া, দোয়েল, সব পাখি ঘরে ফেরে, সৈকতে সারস, নয়ন, স্বপ্নের পৃথিবী মৃত্যু: ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬

About admin

Check Also

সহবাসে’র শুটিং শুরু তাদের!

ছেলেটি কলকাতার কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করে। আর মেয়েটি ক্রিয়েটিভ অ্যাড এজেন্সির সঙ্গে জড়িত। ছবিটির গল্প …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *