Home / Uncategorized / প্রবাসীর স্ত্রীকে নিজের বাসায় নিয়ে রাতভর ধর্ষণ!

প্রবাসীর স্ত্রীকে নিজের বাসায় নিয়ে রাতভর ধর্ষণ!

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। খড়িয়া মাদরাসার ছাত্রী ওই কিশোরীকে রাতভর একটি ঘরে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ধর্ষিতার মা ২২ জুন একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষক রাকিবকে আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, তার স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং মেয়ে খড়িয়া মাদরাসার ছাত্রী। তারা আড়াইহাজার নাগেরচরে ভাড়া বাসায় থাকেন। একই বাড়ীতে ভাড়া থাকে ধর্ষক রাকিব (১৯) ও তার পরিবার। রাকিব প্রায় সময় ছাত্রীটিকে মাদরাসায় যাতায়তের পথে উত্যক্ত করতো।

২১ জুন রাতে ধর্ষক রাকিব মেয়েটিকে ফুসলিয়ে তার ঘরে নিয়ে যায়। তার বাসা সেদিন ফাঁকা ছিল। ওই বাসায় রাতভর তাকে আটকে রেখে তাকে জোরপূর্বক কয়েকবার ধর্ষণ করে। ভোর বেলা ধর্ষিতা কৌশলে রাকিবের ঘর থেকে বের হয়ে বাসায় গিয়ে তার মাকে সব খুলে বলে।
পরে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে রাকিবকে একমাত্র আসামী করে শনিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা সাবেক ফুটবলারদের
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ইশতেহার প্রকাশের জন্য পূর্ব ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে, আরো একবার অবাক করলো ‘বাঁচাও ফুটবল’ পরিষদ। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী কামরুল আশরাফ খান বলেন, নির্বাচিত হলে এক বছরের মধ্যে দেশের ফুটবলের চিত্র পাল্টে দেবেন তিনি। এদিকে, সমঝোতা নয় বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করেন দেশের সাবেক ফুটবলাররা।

সিনিয়র সহ সভাপতি পদে সালাম মুর্শেদীর শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলের নাম প্রত্যাহারের ঘটনায় হতবাক হয়েছিলেন অনেকেই। তবে, দৃঢ় অবস্থান থেকে ঠিক কি কারণে নিজেকে সরিয়ে নিলেন তিনি? আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বড় হয়ে ওঠা এই প্রশ্নটির জবাব মিলবে “বাঁচাও ফুটবল” পরিষদের ইশতেহার ঘোষণার জন্য আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে, এমনটাও যারা ভেবেছিলেন তাদেরও আরেক দফা অবাক হতে হয়েছে। হঠাৎই নির্দিষ্ট সেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হলো।

কিন্তু, আনুষ্ঠানিক না হলেও, অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেন “বাঁচাও ফুটবল” পরিষদ নেতারা। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি মনজুর কাদের বলেন, ‘এ দেশের ফুটবলকে বাঁচাতে হলে যা কিছু করতে হবে আমরা তাই করছি।’ এতে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে টুটুলের নাম প্রত্যাহারের বিষয়টি। নির্বাচনী কৌশলের অংশ বলে এ ব্যাপারটি কৌশলে এড়িয়ে গেলেন সবাই।

কিন্তু, নির্বাচনের আগে এমন আরো চমক অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করছেন এই প্যানেলের সদস্য সাবেক ফুটবলাররা। বাফুফে নির্বাচনে সহ সভাপতি পদ প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচন যখন আসে তখন অনেক ধরণের গুঞ্জন হয়। আর এই গুঞ্জনের মধ্য দিয়েই অনেক কিছু বেরিয়ে আসে।’ পরিষ্কার করে না বললেও, এ নির্বাচন নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে, সালাউদ্দিনকে হটাতে বিভিন্ন মহলের নেয়া ‘মাইনাস ওয়ান’ ফর্মুলা কার্যকর করতে প্রয়োজনে সব ধরনের সমঝোতায় যেতে পারেন ‘বাঁচাও ফুটবল’ পরিষদ নেতারা।

আতঙ্কের জনপদ সিলেটের টিলাগড় পয়েন্ট
সিলেটের এম,সি কলেজের সম্মুখের টিলাগড় পয়েন্ট এখন আতংকের জনপদে পরিণত হয়েছে। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে টিলাগড়ে ঘটছে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড। গত চারমাসে এই জায়গায় খুন হয়েছে তিন ছাত্রলীগ কর্মী। এর আগেও টিলাগড়ে প্রাণ গেছে আরো কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মীর। আওয়ামী লীগের দু’ই নেতার মধ্যে শক্তি বৃদ্ধির দ্বন্দ্বে হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটছে বলে দাবি পুলিশ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের। একজন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিটি কাউন্সির আজাদুর রহমান আজাদ।

আর অন্যজন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রঞ্জিত সরকার। দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ছাত্র রাজনীতি করেছেন একসাথে। এম.সি ও সরকারি কলেজ কেন্দিক ছাত্রলীগের টিলাগড় ইউনিট এখনো তাদের ইশারায় চলে। জেলা ছাত্রলীগের গত কমিটি ঘোষণার পর হঠাৎ করে টিলাগড় ইউনিটে ভাঙন দেখা দেয়। আজাদ ও রঞ্জিত অনুসারীরা দুগ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই দু’গ্রুপের মধ্যেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এম.সি ও সরকারি কলেজ রঞ্জিত সরকারের অনুসারীদের দখলে। ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনে এম.সি কলেজ দখলের চেষ্টা করে আজাদ গ্রুপের কর্মীরা।

এসময় তাদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রোববার টিলাগড়ে খুন করা হয় ছাত্রলীগ কর্মী তানিমকে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে টিলাগড়ে খুন হন ছাত্রলীগ কর্মী মাসুম, অক্টোবরে মিয়াদ। মিয়াদ হত্যায় প্রধান আসামী করা হয় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরীকে। এরপর থেকে বিলুপ্ত জেলা কমিটি। মহানগর ছাত্রলীগ বলছে টিলাগড় তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। চলমান পরিস্থিতিতে বিব্রত আওয়ামী লীগ। খুন বন্ধে দু’গ্রুপকে এক করার চেষ্টা করছে তারা। সেই সাথে দাবি জানাচ্ছে অস্ত্র উদ্ধারের। আজাদ-রঞ্জিত দু’জনের বাসাও টিলাগড়ে। হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায়নি বাসায়।

About admin

Check Also

সহবাসে’র শুটিং শুরু তাদের!

ছেলেটি কলকাতার কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করে। আর মেয়েটি ক্রিয়েটিভ অ্যাড এজেন্সির সঙ্গে জড়িত। ছবিটির গল্প …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *