Home / Uncategorized / দেশের সবচেয়ে বড় লিঙ্গ কুমিল্লার জয়নালের !

দেশের সবচেয়ে বড় লিঙ্গ কুমিল্লার জয়নালের !

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আম গাছ ঠাকুরগাঁও জেলায়, সবচেয়ে বড় সেতু হচ্ছে পদ্মা সেতু আর সবচেয়ে বড় বিভাগ হচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগ। এতকিছুর মাঝেও আরেকটি বিস্ময় বড় জিনিস রয়েছে, যা শুনে আপনি পিলে চমকে উঠবেন। সেটি হচ্ছে, দেশের সবচেয়ে বড় লিঙ্গটির মালিক কুমিল্লার বাসিন্দা জয়নালের ! (স্যাটেলাইটের তোলা ছবিতে দেখুন জয়নালের ঐতিহ্যবাহী লিঙ্গ), Satellite captured image of the downside of Joynal’s lungi. জয়নাল একজন রসমালাই বিক্রেতা। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার জাফরনগরে তার বসবাস। কাজে ফাঁকে ফাঁকে দীর্ঘদিন যাবৎ জয়নাল তার লিঙ্গ বড় করার চেষ্টা করে আসছেন। এবং সফলও হয়েছেন। যার ‍ফলশ্রুতিতেই তার আজকের এই অর্জন।

দেশের সবচেয়ে বড় লিঙ্গ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানলে চাইলে জয়নাল আমাদের সাংবাদিকের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলেন, “এইটা আমার দীর্ঘদিনের ‍সাধনা। ছোটবেলায় একবার ‍মাছ ধরতে গিয়ে আমার বড়শি ভেঙ্গে গিয়েছিলো। আমার পাশে বসে মাছ ধরা অন্যান্য বন্ধুরা তখন ঠাট্টা করে আমাকে বলে, ‘এখন কি করবি রে জয়নাল? নু‍ুনুতে সুতলি বেধে মাছ ধর।’ তাদের ‍কথা শুনে তখন থেকেই আমার মনে ইচ্ছা জাগে এটা বড় করার। বড়শির লাঠি সমপরিমাণ বড় হলে একটি রশি বেধে মাছ ধরে ওদেরকে দেখিয়ে দিবো। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই আমি পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছি।”

জয়নালের বাবার সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন জয়নালের জন্য আড়াইশ মিলি অলিভ ওয়েল কিনতে হয়। এবং বটগাছে বেধে টানার জন্য ত্রিশ টাকার সুতলি কিনতে হয়। শরীরচর্চার পাশাপাশি জয়নাল অন্য কোনো ভিটামিন খায় কিনা জানতে চাইলে জয়নালের বাবা আক্ষেপ করে বলেন, “তেলের খরচ জোগাতেই আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ভিটামিন খাওয়াবো কেমনে?” তবে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাধনা-টাধনা সব ভুয়া কথা। এসব কিছুই না, সব মিথ্যা। আসলে তার শরীরে জেনেটিক সমস্যা রয়েছে। এটি এমন একটি রোগ, যা কিনা শরীরের যেকোনো একটি অংশকে বড় বানিয়ে দেয়। জয়নালের ক্ষেত্রের নাকি তাই হয়েছে। এমনটা‌ই মনে করছে জাফরনগর এলাকাবাসী।

কিডনির পাথর দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
অনিয়ন্ত্রিত জীবন, অনিয়মসহ বিভিন্ন কারণে কিডনিতে পাথর জমার ঘটনা গেল কয়েক বছর ধরে বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ যেসব কারণে কিডনিতে পাথর জমে সেগুলো একটু খেয়ালী হলেই এড়ানো সম্ভব। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু ঘরোয়া উপায়। কিডনির কাজ হলো শরীরের বর্জ্য ছেঁকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দেয়া। তাই শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানি পান না করলে কিডনির পক্ষে সে কাজ দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। ফলে সেসব বর্জ্য জমে পাথর জমার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। তাই শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানি পান করলে কিডনিতে পাথর জমার শঙ্কা কমে।

লবণের সোডিয়াম কিডনি থেকে পাথর সরাতে পারে না। তাই সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের মাত্রা বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর জমে। তাই খাবারের সঙ্গে খাওয়ার পরিমাণ কমালে এটি এড়ানো সম্ভব। হজমের গোলমাল কিডনিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে, বর্জ্য নিষ্কাশনে বাধা তৈরি হয় ও পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই এই দিকটিতে নজর দিতে হবে। ব্যথানাশক ওষুধের অন্যতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিডনিতে সমস্যা তৈরি করা। কাজেই ঘনঘন এমন ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা বদলাতে হবে। কিডনির অসুখের অন্যতম কারণ প্রস্রাব চেপে রাখা। এতে সংক্রমণ হওয়ার ভয়ও থাকে। তাই কখনোই প্রস্রাব চেপে রাখা উচিত নয়। প্রস্রাবের বেগ আসলে সঙ্গে সঙ্গেই প্রস্রাব করা উচিত।

রোজায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কিছু টিপস
বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগীদের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। যার মধ্যে বিশ্বজুড়ে অনেক মুসলমান এই পবিত্র রমজান মাসে ডায়াবেটিস মোকাবেলা করে রোজা রাখবেন। খাবার যেহেতু শরীরে সরাসরি প্রভাব রাখে সেহেতু দীর্ঘ সময় না খাওয়ার কারণে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা একদিকে যেমন কমতে পারে। সেই সঙ্গে হাইপোগ্লুকোমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

জেনে নিন রোজায় ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয় সম্পর্কে: রোজায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কিছু নির্দেশিকা: ১. নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা চেক করুন। ২. রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা খুব বেশি বৃদ্ধি পেলে বা কমে গেলে তার চিকিৎসা করাটা জরুরি। ৩. যদি আপনি বিচলিত বা অসুস্থ বোধ করেন তাহলে দ্রুত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাপ করে দেখুন। ৪. এই লক্ষণগুলো হাইপোগ্লাইসেমিয়ার কারণে হতে পারে।

৫. রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ৩০০ এমজ/ডিএল হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৬. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি–ডায়াবেটিক ঔষধ বা ইনসুলিন গ্রহণ করুন। রোজার সময়ের জন্য চিকিৎসক ঔষধ গ্রহণের সময় পরিবর্তন করে দেবেন। ইফতারে যে ধরনের খাবার খাবেন : ১. সঠিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচন করুন। ভুল এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।২. রোজা ভাঙার সময় স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন, অল্প করে গ্রহণ করুন।

৩. খুব বেশি খাবেন না। ৫. চিনি সমৃদ্ধ ও ডিপ ফ্রাই করা খাবার গ্রহণ করবেন না। ৬. অনেক বেশি ও ভারী খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এগুলো পেটফাঁপা ও অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করতে পারে। ৭. রোজা ভাঙার পর স্বাস্থ্যকর তরল গ্রহণ করুন। পানি সবচেয়ে ভালো পানীয়। এছাড়াও লেবু পানি, ঘোল এবং প্লেইন মিল্ক পান করতে পারেন। শরবত, ফলের জুস, প্যাকেট-জাত মিষ্টি পানীয় গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।

৮. ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন– কফি, সোডা বা ফ্রিজি ড্রিংক পান করতে বারণ করা হয়। কেননা এই পানীয়গুলো ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করতে পারে।সেহরিতে যে ধরনের খাবার খাবেন : পর্যাপ্ত পানি পান করুন সেহরিতে। কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের এবং উচ্চমাত্রার ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। এ ধরনের খাবার দীর্ঘক্ষণ পাকস্থলীতে থাকে এবং ক্ষুধা কম লাগে। কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবারগুলো হচ্ছে- বাদামী চাল, গম, ওটস বা বার্লি। লিগিউম জাতীয় খাবার যেমন – মটরশুঁটি খেতে পারেন, লো ফ্যাটের দুধ ও পনির খেতে পারেন। এছাড়া একটি আস্ত ফল খান। আপনার ডায়েটে ডাল ও সবজি যোগ করুন।

ডায়েট প্ল্যান: সেহরি – দুই টুকরো মধ্যম আকারের গ্রিল/ বেকড/ ষ্টীম চিকেন ও একটি রুটি অথবা একটি আস্ত গমের চিকেল রোল। ইফতার – দুই টি ডিমের সাদা অংশ ও আস্ত গমের একটি রুটি অথবা দুইটি ওটমিল এর প্লেন কেক ও এক গ্লাস দুধ। রাতের খাবার – এক বাটি সালাদ, দুই টি মাছ ও একটি রুটি অথবা এক বাটি মোরগ–পোলাও ও এক বাটি সবজি।

About admin

Check Also

সহবাসে’র শুটিং শুরু তাদের!

ছেলেটি কলকাতার কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করে। আর মেয়েটি ক্রিয়েটিভ অ্যাড এজেন্সির সঙ্গে জড়িত। ছবিটির গল্প …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *